🔹🔹🔹সুস্বাস্থ্য বকফুল/গুড়া উপকারিতা🔹🔹🔹
বকফুল শিম বা মটর গোত্রীয় গাছ। আমাদের প্রকৃতিতে বকফুল অনেক পুরনো। বকফুলের আদি আবাস মালয়েশিয়া। ক্ষুদ্র আকৃতির পত্রমোচী গাছ। কাণ্ড সরল, উন্নত, ম্লান-বাদামি ও মসৃণ। এ গাছ দেখতে শিম বা মটরের মতো নয়। ফুলের গড়নে কিছুটা মিল থাকলেও পাতা ও গাছের সঙ্গে মিল নেই। বকফুল গাছ ধৈঞ্চা গাছের সঙ্গে কিছুটা মিল আছে। বকফুলের গাছ ধৈঞ্চার চেয়ে অনেক বড় হয়। এ গাছের অনেকগুলো বাংলা নাম বক, বকে, বগ, বকফুল, বগফুল, অগস্তা, অগাতি ইত্যাদি। আমাদের দেশেল এ ফুলকে বকফুল নামেই বেশি পরিচিত।
🔹🔹🔹সুস্বাস্থ্য বকফুলের উপকারিতা🔹🔹🔹
🔰 সোরিয়াসিস রোগের চিকিৎসায় ।🔰 দাদ, চুলকানি, লাল লাল ফুসকুড়ি ইত্যাদি ত্বকের সম্পর্কিত রোগ নিরাময় করে ।
🔰 চুলকানি-পাঁচড়া সারাতে বাকল চূর্ণ লাগানো হয়।
🔰 জ্বর, ফোলা ও ব্যাথাবেদনা সারাতে এ গাছের মূল ব্যবহার করা হয়।
🔰 বাতের ব্যথায় শিকড় চূর্ণ জলের সাথে গুলে ব্যাথা জায়গায় ঘষলে, লাগালে বা প্রলেপ দিলে উপকার পাওয়া যায়।
🔰 বাকল বসন্ত রোগের চিকিৎসায় কাজে লাগে।
🔰 গাছের বাকল মুখের আলসার সারাতে ব্যবহার করা হয়।
🔰 কৃমি ও জ্বর সারাতে পাতার রস খাওয়ানো হয়।
🔰 হাড় শক্ত করে ।
🔰 গ্যাস্ট্রিক আলসার ও বুক জ্বালা নিরাময় করে ।
🔰 কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ।
🔰 শরীরের বাড়তি তাপ বকফুল পাতার গ্রহণ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় ।
🔰 বকফুল পাতার চোখের স্নায়ু জোরদার করে ।
🔰 বার্ধক্য ও হাড় দুর্বলতা প্রতিরোধ করে ।
🔰 বকফুল পাতা কৃমি নাশক হিসাবে কাজ করে ।
🔰 বকফুল পাতার বাষ্প নিয়ে মাথা ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে ।
🔰 বদ হজম রোধে ও হজম পক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে ।
🔰 শরীর, চোখ, পেট, পা ও পায়ের পাতা জ্বলা কমাতে বকফুল পাতার রস ব্যাবহার করুন ।
🔰 শরীরের অবাঞ্ছিত পিত্ত নাশ করে ।
🔰 পাইলস রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে ।
🔰 রক্ত শোধনে কাজ করে ।
🔰 মেরুদণ্ড ব্যাথায় কাজ করে ।
🔰 ত্বকের ক্ষত ও ত্বকের দাগ নিরাময়ে কাজ করে ।
🔰 তলপেটের দাগ দূর করে ।
🔰 কানের ব্যাথা ভাল করে ।
🔰 ত্বক পরিষ্কার করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় ।
🔰 মুখের আলসার নিরাময় করে ।
🔰 ম্যালেরিয়া জ্বর ভাল করে ।
🔰 ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে ।
🔰 রাতকানা রোগ ভাল করে ।
🔰 যৌনশক্তি বাড়ায় ।
🔰 মূত্রাশয়ের ইনফেকসান নিরাময় করে ।
🔰 বকফুল পাতার রস শক্তিশালী শরীর, সুস্থ রক্ত, দেহের সব অঙ্গে পুষ্টি সরবরাহ করে ।
🔰 বকফুল পাতার রস আয়ু বাড়ায় ।
🔹🔹🔹বকফুল খাওয়ার নিয়ম:🔹🔹🔹
সোরিওসিস রোগে-১০০ পরিমাণ বকফুল (কাঁচা/গুড়া) সমপরিমাণ মহিষের দুধের ঘি এর সাথে জ্বাল করিয়ে তা শুকিয়ে গেলে কাচের বোতলে ভরে রেখে প্রতিদিন গরম ভাতে
.png)