সুস্বাস্থ্য জটামাংসী উপকারিতা

 🔹🔹🔹সুস্বাস্থ্য জটামাংসী🔹🔹🔹

জটামাংসী গাছের মূল কাঠেরমত শক্ত হয়। জটামাংসীর দু’শ্রেনীর গাছ রয়েছে। এক শ্রেনীর গাছে বড় ফুল হয় ও পুস্পস্তবর্কে মৃসন থাকে। জটামাংসী সুগন্ধ করনে এবং ওষুধে ব্যবহার করা হয়। সাধারনত জুলাই-আগষ্ট মাসে এর ফুল ও ফল হয়।

🔹🔹🔹সুস্বাস্থ্য জটামাংসী উপকারিতা ও ব্যবহার🔹🔹🔹

🔰 বুক ধরফড়ানি রোগে: জটামাংসীর শিকর ১০গ্রাম পরিমান কয়েক টুকরা করে কেটে গরম জলে ৪ থকে ৫ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে সে জল পান করলে রোগীর উপষম পায়।

🔰 মুর্চ্ছা রোগে: জটামাংসীর মূল ১১গ্রাম সামান্য থেঁতো করে আগের দিন রাতে ৮০ মিলিমিটার জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। সে জল পরিস্কার পাতলা কাপড়ে ছেঁকে দিনে একবার করে খাওয়ালে মূর্চ্ছা রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তরকা রোগের ক্ষেত্রেও একই সুফল পাওয়া যায়।

🔰 সর্দি ও কফে: জটামাংসীর শুকনা কান্ড ২গ্রাম ভালভাবে গুঁড়ো করে ঠান্ডা জলের সাথে খেলে বুকে জমা কফ বের হয়ে যায় এবং সর্দির জন্য উপষম পাওয়া যায়।

🔰 কুষ্ঠ রোগে: কুষ্ঠ রোগের মহাঔষধ। জটামাংসীর মূল জলে ৬ থেকে ৭ ঘন্টা ভিজিয়ে বেশ কিছুদিন খেলে কুষ্ঠ নিরাময় হয়।

🔰 ক্ষুধামান্দ্যে: পরিপাকযন্ত্র দুর্বল হলে মানুষ ক্ষুধা মান্দ্য রোগে ভোগে। জটামাংসীর শিকড় ভিজানো জল ৮সি.সি পরিমান খেলে হজমশক্তি বাড়ে ও ক্ষুধা বৃদ্ধি হয়।

🔰 হিষ্টিরিয়া রোগে: জটামাংসীর ফুল হিষ্টিরিয়া রোগের খুব ভালো কাজ করে।

🔰 যৌন শিতীলতায় কার্যকরী ।

🔰 অনিদ্রা সমস্যা সমাধান করে।


🔹🔹🔹শতর্কতা: জটামাংসী  সেবনে পাকস্থলীর উত্তাপ বাড়ে এবং রোগীর পেটে যন্ত্রনা হয়ও বমি করে। নাড়ীর গতি ও যথেষ্ট বেড়ে যায়। ফলে রোগীর শরীর থেকে প্রচুর ঘাম বের হয়।

🔸🔸🔸 যোগাযোগ করুন 🔸🔸🔸

👉👉 সুস্বাস্থ্য 👈👈

🏨 স্নিগ্ধা ১নং রোড সংলগ্ন, উপশহর রোড, বগুড়া সদর, বগুড়া, বাংলাদেশ।

📞 ০১৫৫৬-৩০৩৯৭৩

📞 ০১৭২৪-৩২১১০১

☛ https://www.facebook.com/susastobd

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন