🔹🔹🔹🔹সুস্বাস্থ্য কাতিলা গাম🔹🔹🔹🔹
কাতিলা গাম দেখতে সাদা বা হালকা লালচে বর্ণের, যা দেখতে অনেকটাই তাল মিশ্রির মত। কাতিলা গম উদ্ভিদের শিকড়ের রস শুকিয়ে সংগ্রহ করা হয়, এটি স্বাদহীন, গন্ধহীন ও পলিস্যাকারাইডের পানির দ্রবণীয় মিশ্রন এবং পানিতে ভিজিয়ে রাখলে নরম হয়ে ফুলে উঠে। কাতিলা গাম হ্যান্ড লোশন, টুথপেস্ট, দাঁতের চিকিৎসায়, বিভিন্ন জেলি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়, এছাড়াও সালাদ ড্রেসিং, খাবার ও পানীয় প্রস্তুত করতে ব্যবহার করা হয়।
নিয়মিত দুই বার কাতিলা গাম পানিতে ভিজিয়ে তাতে একটু মধু, লেবু, লাল চিনি বা তালমিছরি মিশিয়ে খেতে পারেন তাহলে আপনার সারাদিনের ক্লান্তি কেটে যাবে ও শরীর শীতল থাকবে। বিশেষ করে, যারা গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরম সহ্য করতে পারেন না বা হিট স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাদের জন্য কাতিলা গাম অত্যন্ত উপকারি হতে পারে।
হজম এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য কাতিলা গাম খুবি উপকারী। কাতিলা গামের একটি রেচক প্রভাব রয়েছে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায্য করে এবং এতে উপস্থিত এনজাইমগুলি খাদ্য হজম এবং নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করে।
এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সাহায্য করে ও মেটাবলিজম উন্নত করে।

🔹🔹🔹কাতিলা গাম এর উপকারিতা🔹🔹🔹
🔰কাতিলা গাম শারীরিক শক্তি বৃদ্ধিতে
🔰কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে
🔰হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে
🔰হাত-পায়ের জ্বালাপোড়া দূর করতে
🔰গর্ভবতী মায়ের পুষ্টি অটুট রাখতে
🔰চকচকে ত্বক পেতে
🔰ওজন কমাতে
🔰যৌন ক্ষমতা বাড়াতে
🔰দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে
🔹🔹🔹সুস্বাস্থ্য কাতিলা গাম খাওয়ার নিয়ম🔹🔹🔹
কাতিলা খাওয়ার নিয়ম: অল্প পরিমাণ কাতিলা গাম পানিতে ভিজিয়ে রাখলে তা জেলির মত হয়ে যাবে, তখন তার সাথে মধু, লেবু, লাল চিনি বা তালমিছরির মিশ্রণ তৈরী করে পানির সাথে খেতে হয় (প্রচুর পরিমাণে পানি মিশিয়ে নিতে হবে)। খালি পেটে খেলে বেশি উপকার পাবেন। কারো যদি পনিতে ভিজিয়ে খেতে সমস্যা হয় তাহলে দুধ বা শরবতের সাথেও খেতে পারবেন। শারীরিক সমস্যা ও পুরুষের যৌন শক্তি বাড়াতে একটি কার্যকরি হারবাল ভেষজ। কাতিলা গম, ইসবগুলের ভুশি, কালোজিরা, অশ্বদানা ও তালমাখনা দিয়ে মিশ্রণ তৈরী করে খেলে যৌন সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারবেন।
যোগাযোগ করুনঃ
সুস্বাস্থ্য
📞 ০১৫৫৬-৩০৩৯৭৩
📞 ০১৭২৪-৩২১১০১
🏨স্নিগ্ধা ১নং রোড সংলগ্ন, উপশহর রোড, বগুড়া সদর, বগুড়া।
https://www.facebook.com/susastobd